-
** সরিষার চাষ পদ্ধতি **
সরিষার দানা মূলত ভোজ্য তৈল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া সরিষার দানা মসলা, সরিষার শাক সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। সরিষা দিয়ে কাসুন্দি তৈরি করা হয়। নিম্নে সরিষা চাষের পদ্ধতি দেওয়া হল:
সরিষার চাষে উপযুক্ত মাটি
সরিষার চাষের জন্য মাটি হতে হবে এঁটেল দোআঁশ, বেলে দোআঁশ বা দোআঁশ মাটি।
সরিষার চাষের সময়
সরিষার বীজ বপনের উপযোগী সময় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।
সরিষার চাষে জমি তৈরি
সরিষার চাষের জন্য জমি তৈরি করার সময় জমিতে ৩-৪ টি ভালো করে চাষ ও মই দিয়ে বীজ বপন করতে হবে।
হেক্টর প্রতি সারের পরিমাণ
ইউরিয়া ২৭০-২৮০ কেজি,
টিএসপি ১৮০-১৯০ কেজি,
মিউরেট অব পটাশ ৬০-৭০ কেজি,
জিপসাম ২৬০-২৮০ কেজি
এছাড়াও প্রয়োজনে অন্যান্য সার দেওয়া যেতে পারে। মাটির প্রকারভেদে অনেক সময় এই পরিমাণের চেয়ে সার কম-বেশি লাগতে পারে।
সরিষার চাষে সার প্রয়োগ পদ্ধতি
অর্ধেক পরিমাণ ইউরিয়া এবং সব টিএসপি, এমপি ও জিপসাম সার জমি তৈরি করার সময় মাটির সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে দিতে হবে। এবং বাকি অর্ধেক ইউরিয়া বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে।
সরিষার চাষে বীজ বপন পদ্ধতি
আমাদের দেশে সাধারণত বীজ ছিটিয়ে বোনা হয়। বর্তমানে সরিষা সারিতে ও বোনা হয়। জমিতে বীজ ছিটিয়ে বুনলে বীজগুলো মই দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। যাতে করে পাখিতে নষ্ট না করতে পারে। বীজ বোনার সময় খেয়াল রাখতে হবে বীজ যেন বেশি ঘন করে বোনা না হয়।
সরিষার চাষে বীজের পরিমাণ
হেক্টর প্রতি জমিতে ৬-৮ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। সারিতে বুনলে ৪-৫ কেজি বীজ লাগতে পারে।
সরিষার চাষে পরিচর্যা ও সেচ
সরিষার ক্ষেতের জমিতে আগাছা দেখা দিলে বীজ গজানোর ২৫-৩০ দিনের মধ্যে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। এবং মাটির অবস্থা বুঝে কয়েকটি সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
সরিষার চাষে পোকা ও রোগ দমন
সরিষা ক্ষেতের প্রধান শত্রু জাব পোকা। এ পোকার আক্রমনে সরিষার ফলন অনেক কম হয়।
ফুলের কুঁড়ি আসা শুরু হলে এ পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এ পোকা দমনের জন্য বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করে দমন করতে হবে। জমিতে কীটনাশক বিকালের দিকে দেওয়া ভাল। এতে যদি পোকা দমন না হয় তাহলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার নিকট হতে পরামর্শ নিতে হবে।
সরিষা সংগ্রহ
সরিষা গাছের ফল হলুদ রঙের হলে ফসল তোলা যায়। গাছের গোড়া টেনে বা কাঁচি দিয়ে কেটে সরিষা গাছ সংগ্রহ করা যায়। এরপর ভালো করে ৪-৫ দিন রোদে শুকিয়ে সরিষার বীজ সংগ্রহ করতে হবে।
-
** সরিষার চাষ পদ্ধতি **
সরিষার দানা মূলত ভোজ্য তৈল হিসাবে ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া সরিষার দানা মসলা, সরিষার শাক সবজি হিসাবে খাওয়া হয়। সরিষা দিয়ে কাসুন্দি তৈরি করা হয়। নিম্নে সরিষা চাষের পদ্ধতি দেওয়া হল:
সরিষার চাষে উপযুক্ত মাটি
সরিষার চাষের জন্য মাটি হতে হবে এঁটেল দোআঁশ, বেলে দোআঁশ বা দোআঁশ মাটি।
সরিষার চাষের সময়
সরিষার বীজ বপনের উপযোগী সময় অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত।
সরিষার চাষে জমি তৈরি
সরিষার চাষের জন্য জমি তৈরি করার সময় জমিতে ৩-৪ টি ভালো করে চাষ ও মই দিয়ে বীজ বপন করতে হবে।
হেক্টর প্রতি সারের পরিমাণ
ইউরিয়া ২৭০-২৮০ কেজি,
টিএসপি ১৮০-১৯০ কেজি,
মিউরেট অব পটাশ ৬০-৭০ কেজি,
জিপসাম ২৬০-২৮০ কেজি
এছাড়াও প্রয়োজনে অন্যান্য সার দেওয়া যেতে পারে। মাটির প্রকারভেদে অনেক সময় এই পরিমাণের চেয়ে সার কম-বেশি লাগতে পারে।
সরিষার চাষে সার প্রয়োগ পদ্ধতি
অর্ধেক পরিমাণ ইউরিয়া এবং সব টিএসপি, এমপি ও জিপসাম সার জমি তৈরি করার সময় মাটির সঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে দিতে হবে। এবং বাকি অর্ধেক ইউরিয়া বীজ বপনের ৩০-৩৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে।
সরিষার চাষে বীজ বপন পদ্ধতি
আমাদের দেশে সাধারণত বীজ ছিটিয়ে বোনা হয়। বর্তমানে সরিষা সারিতে ও বোনা হয়। জমিতে বীজ ছিটিয়ে বুনলে বীজগুলো মই দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। যাতে করে পাখিতে নষ্ট না করতে পারে। বীজ বোনার সময় খেয়াল রাখতে হবে বীজ যেন বেশি ঘন করে বোনা না হয়।
সরিষার চাষে বীজের পরিমাণ
হেক্টর প্রতি জমিতে ৬-৮ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। সারিতে বুনলে ৪-৫ কেজি বীজ লাগতে পারে।
সরিষার চাষে পরিচর্যা ও সেচ
সরিষার ক্ষেতের জমিতে আগাছা দেখা দিলে বীজ গজানোর ২৫-৩০ দিনের মধ্যে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। এবং মাটির অবস্থা বুঝে কয়েকটি সেচের ব্যবস্থা করতে হবে।
সরিষার চাষে পোকা ও রোগ দমন
সরিষা ক্ষেতের প্রধান শত্রু জাব পোকা। এ পোকার আক্রমনে সরিষার ফলন অনেক কম হয়।
ফুলের কুঁড়ি আসা শুরু হলে এ পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এ পোকা দমনের জন্য বিভিন্ন কীটনাশক ব্যবহার করে দমন করতে হবে। জমিতে কীটনাশক বিকালের দিকে দেওয়া ভাল। এতে যদি পোকা দমন না হয় তাহলে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার নিকট হতে পরামর্শ নিতে হবে।
সরিষা সংগ্রহ
সরিষা গাছের ফল হলুদ রঙের হলে ফসল তোলা যায়। গাছের গোড়া টেনে বা কাঁচি দিয়ে কেটে সরিষা গাছ সংগ্রহ করা যায়। এরপর ভালো করে ৪-৫ দিন রোদে শুকিয়ে সরিষার বীজ সংগ্রহ করতে হবে।
Login to ask a question