Sabu Dana Sago Seed (Indian Any Sago)-500gm


Tk 199


Sabu Dana Sago Seed (Indian Any Sago)-500gm

সাগু দানা কি বাচ্চাদের জন্য ক্ষতিকরডাক্তাররা কেনো বেচ্চাদেরকে সাগু দিতে মানা করে

এর উত্তর জানার আগে সাগুদানা কি এর উপকারিতা অপকারিতা সম্পর্কে জানা উচিত

সাবুদানা এমন একটি খাবার যা ছোট বড় সকলেই খেয়ে থাকেন। তবে আমাদের দেশে বেশীরভাগ শিশুদের খাবারেই ব্যবহার হয় এটি।

সাগু বা সাবুদানা একটি স্টার্চ জাতীয় খাবার যা একটি স্বাস্থ্যকর খাবারের বিকল্প হিসেবে কাজ করতে পারে। আমাদের দেশে সাধারণত জ্বর হলে বা রোগীদের এই খাবারটি খাওয়ানো হয়।

সাবুদানা কি

অনেকেরই ধারণা যে সাবুদানা এক ধরনের ফল যা গাছে ধরে। আসলে এটি কোনো ফলই নয় । পাম জাতীয় গাছের মূল যার সায়েন্টিফিক নাম Metroxylon sagu) মূল থেকে সাদা দুধের মতো একপ্রকারের রস নিষ্কাশন করে সেটা প্রথমে শুকিয়ে নেওয়া হয় ও ময়দার মতো পাউডার এ পরিণত করা হয় ।তারপর সেটাকে যান্ত্রিক পদ্ধতি দ্বারা ছোট ছোট দানায় পরিণত করা হয় যেটাকে আমরা সাবুদানা বা সাগু বলি। তবে বর্তমানে বিভিন্ন উপায়ে সাগু সংরক্ষণ/তৈরি করা হয়।

এছাড়াও আরও দুই প্রজাতির গাছ থেকে সাবু তৈরি করা হয়।এরা হলঃ

★Revoluta বা king sagu.

★Cycas Rumphu বা queen sagu.

সাবুদানার পুষ্টিগুণঃ

যদিও অন্য শস্যদানার তুলনায় সাবুদানায় পুষ্টিগুণের পরিমাণ কম কিন্তু অন্য সবজি ফল দুধ বাদাম এসবের সঙ্গে মিশালে এটি অত্যন্ত উপকারী একটি খাবার হয় উঠে।

১০০ গ্রাম সাবুদানায় থাকে ৩৩২ ক্যালোরি ১ গ্রাম প্রোটিন ১ গ্রাম ফ্যাট ৮৩ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট ১ গ্রাম ফাইবার এবং ১১ শতাংশ জিংক।

সাবুদানার উপকারিতাঃ

১. সাবুদানা রক্তচাপ হ্রাস করে

সাবুদানাতে আছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম। যা উচ্চ রক্তচাপ হ্রাস করে। এতে করে হৃদরোগজনিত সমস্যা কম হয়।

২. সাবুদানা হাড় মজবুত রাখে

সাবুদানাতে থাকা ক্যালসিয়াম হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিসের মতো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

৩. সাবুদানা ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে

সাবুদানাতে আছে প্রচুর পরিমাণে ট্যানিন ও ফ্লেভানয়েড নামে দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা ফ্রি রেডিক্যালগুলো নষ্ট করে আমাদের ক্যান্সারের মতো মারণব্যাধি থেকে রক্ষা করে ।

৪. সাবুদানা শরীরে শক্তি যোগায়

সাবুদানা সাধারণত সরল শর্করা জাতীয় খাদ্য । এতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে এ ছাড়াও প্রোটিন ফাইবার ভিটামিন ও খনিজ লবণও সামান্য পরিমাণে থাকে । যার কারণে এটি খাওয়ার পরে শরীরে তৎক্ষণাৎ শক্তি পাওয়া যায়। এই কারণে অনেকে ব্যায়াম করার আগে বা পরে সাবুদানা খেতে পছন্দ করেন।

৫. সাবুদানা হজমশক্তি বাড়ায়

সাবুদানাতে আছে জলে দ্রবণীয় তন্তু বা আঁশ। যা পৌষ্টিক নালীকে পরিষ্কার রাখে কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের মতো সমস্যা দূরে রাখে । এ ছাড়াও হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।

৬. সাবুদানা ওজন বাড়াতে সাহায্য করে

সাবুদানা একটি ক্যালোরি-ঘন খাবার এবং যাদের ওজন বাড়াতে হবে তাদের জন্য উপকারী। এটি ক্রীড়াবিদ এবং উচ্চ শক্তির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এমন লোকদের জন্যও এটি একটি ভাল খাবারের বিকল্প। এ ছাড়া অনেক শিশুদের ওজন বাড়াতে সাবুদানা খাওয়ানো হয়।

৭. সাবুদানা গর্ভাবস্থায় উপকারী

সাবুদানা গর্ভাবস্থায় খাওয়ার জন্য একটি উত্তম খাবার। এটি গর্ভবতী নারীদের ক্লান্তি দূর করে। এ ছাড়া সাবুদানায় থাকা ভিটামিন বি৬ এবং ফোলেট ভ্রূণের বিকাশ ও বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। তবে গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস হলে সাবুদানা না খাওয়াই ভালো।

৮. সাবুদানা চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

সাবুদানা স্বাস্থ্যোজ্জ্বল চুল পেতে সহায়তা করে । সাবুতে থাকা বিশেষ প্রোটিন অকালে চুল ঝরে পড়া রোধ করে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে খুশকির হাত থেকে রক্ষা করে এমনকি চুলের বৃদ্ধিও নিয়ন্ত্রণ করে ।

সাবুদানার অপকারিতাঃ

সাবুদানা খাওয়ার ফলে তেমন কোন অপকারিতা বা পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় না।

সাগুতে কার্বোহাইড্রেট এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় এটি ওজন বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই ওজন বাড়াতে না চাইলে এটি বেশি না খাওয়াই ভালো।

কীভাবে খাবেন সাবুদানা

★সাবুদানা সাধারণত পানিতে ভিজিয়ে রেখে রান্না করে খেতে হয়। এটি যে কোন সবজির সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

★ এটি দুধের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায় বা সাবুদানার খিচুড়ি বানিয়েও খাওয়া যায়।

★ অনেকে আবার সাবুদানার বড়া বা ক্ষীর বানিয়েও খায়।

★এ ছাড়া যে কোন ডেজার্ট বা জুসেও মিশিয়ে খাওয়া যায়।

কীভাবে চিনবেন আসল সাবুদানা

★সাবুদানা নকল তৈরি হয় আটা বা ময়দা দিয়ে। তাই এটি আসল না নকল সহজেই পরীক্ষা করে বের করা যায়।

১. আসল সাবুদানা পানিতে দিলে গলে যায় না কিন্তু নকল সাবুদানা পানিতে দিলে দ্রুত গলে পানির সঙ্গে মিশে যায়।

২. আসল সাবুদানা পানিতে দেয়ার পর নাড়াচাড়া দিলেও পানি স্বচ্ছ ও পরিস্কার থাকে ঘোলাটে হয়না। কিন্তু নকল সাবুদানা পানিতে মেশালে পানি ঘোলাটে হয়ে যায়।

৩.নকল সাগুদানা রান্নার পর এটি আটার হালুয়া হয়ে যায়। আসল সাগুদানা রান্নার পর দানা দানা থাকে।

সাগু দানায় যদি এতো উপকারিতা থাকে তাহলে ডাক্তাররা কেনো সাগু দিতে মানা করে

কারন সাগুতে সবচেয়ে বেশি থাকে কার্বোহাইড্রেট ও ক্যালরি। আর আমাদের দেশের অনেক মায়েরা আছে যারা অজ্ঞতা বা অভিজ্ঞতার অভাবে একই খাবার বাচ্চাকে প্রতিবেলায় প্রতিদিন দিয়ে থাকে অনেক মায়েরা যে কোন খাবারকে আরো বেশি হেলদি করে রান্না করতে পারে না/জানে না। কিছু মায়েরা আছে ঝামেলা/ সময়ের অভাবে সুজি/সাগু শুধু দুধ আর চিনি দিয়ে রান্না করে দেয় বাচ্চাদেরকে।

যে জন্য এটি প্রতিবেলায় শুদু দুধ চিনি দিয়ে রান্না করে দেওয়ার ফলে বাচ্চাদের খাবারে কার্বোহাইড্রেটের পরিমান বেড়ে যায় আবার একই খাবার খেতে খেতে বাচ্চাদের অরুচি চলে আসে।

★তাই সাগু দেওয়ার সময় কয়েকটি বিষয়ে মাথায় রাখুন

১.প্রতিবেলায়/লাগাতার প্রতিদিন একই খাবার দিবেন না হোক সেটা সাগু সুজি ভাত নুডলস যে কোন খাবার।

২. সাগু/সুজির সাথে বাদাম ফ্রুটস চিজ চিয়াসিড সবজি ইত্যাদি একেক সময় একেকটা মিক্স করে খেতে দিবেন।

৩.বাচ্চার কোন খাবারে চিনি যোগ করবেন না ১ বছরের পর ও না। চিনির বদলে খেজুর খাঁটি গুঁড় মধু অর্জিনাল তালমিছরি (তালের রস থেকে তৈরি তালমিছরি) ইত্যাদি দিবেন।

৪. এই নিয়ম গুলো মেনে আপনি অনায়াসে সপ্তাহে ৩/৪/৫ দিন যে কোন ১ বেলায় সাগুর তৈরি খাবার আপনার শিশুকে দিতে পারবেন।






Customer Questions and answers :

Login to ask a question