চুলের জন্য
-
চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং চুলের গোড়া শক্তিশালী করে।
-
রুক্ষতা দূর করে এবং মাথার ত্বকের শুষ্কতা কমায়।
-
চুল পড়া রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।
ত্বকের জন্য
-
ত্বকের শুষ্কতা কমিয়ে ত্বককে মসৃণ ও নরম রাখে।
-
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণের কারণে ব্রণ কমাতে সাহায্য করে।
-
বলিরেখা ও সূক্ষ্ম রেখা কমিয়ে অ্যান্টি-এজিং হিসেবে কাজ করে।
-
একজিমা বা অন্যান্য ত্বকের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
অন্যান্য উপকারিতা
-
একটি রেচক হিসেবে কাজ করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
-
প্রদাহ এবং ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
-
টেনশন-জনিত মাথাব্যথা উপশম করতে সাহায্য করতে পারে।
-
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
ব্যবহারের নিয়ম
-
চুলের জন্য:
ক্যাস্টর অয়েল অন্য কোনো হালকা তেলের (যেমন নারকেল বা বাদাম তেল) সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। এটি চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে ১-২ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু করে ফেলতে পারেন।
-
ত্বকের জন্য:
শুষ্ক ত্বকে সরাসরি লাগাতে পারেন। ব্রণ বা দাগের ওপর তুলার সাহায্যে লাগাতে পারেন।
- Product Type: Castor Oil
- Brand: Organic Hat Bazar
- Capacity: 100ml
- Packaging Type : Plastic Bottle
- Good quality product
- Origin: BD
- 100% Highest quality guarante
অনেকেই হয়তো শুনে থাকবেন নামটি। তবে এর প্রকৃত গুনাগুণ সম্পর্কে আমরা হয়তো খুব কমই জানি। ক্যাস্টর অয়েলে রয়েছে ভিটামিন ই, মিনরেলস, প্রোটিন, এসেন্সিয়াল ফ্যাটি এসিড যা চুল পড়া রোধ করার সাথে সাথে নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে। এটি চুলের যাবতীয় সমস্যা দূর করে চুলের স্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনে। তবে চুলের জন্যে সবসময় আনরিফাইনড ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করাই উত্তম। কারণ আনরিফাইনড ক্যাস্টর অয়েলে প্রাকৃতিক গুণাবলী বিদ্যমান যা চুল এবং স্ক্যাল্পের জন্য খুবই কার্যকরী।চুল পড়া রোধের জন্য ক্যাস্টর ওয়েল অনেক উপকারী। এমনকি ক্যাস্টর ওয়েল ব্যবহারে চুলের ঘনত্বও বৃদ্ধি পায়।
ক্যাস্টর অয়েলের এ উপকারীতা আমরা হয়তো জানি। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রে যারা চুল পড়া সমস্যায় ভূগছেন তারা ক্যাস্টর অয়েল বেশি ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু এমন অনেক অভিযোগ আছে যে ক্যাস্টর ওয়েল ব্যবহারের পরও চুল পড়া বন্ধ হচ্ছে না। অনেকের ক্ষেত্রে চুল পড়ার পরিমান আরও বেড়ে গেছে। জেনে নেওয়া যাক ক্যাস্টর অয়েলের সঠিক ব্যবহার
ক্যাস্টর অয়েল (১ চা চামচ)
নারিকেল তেল (১ চা চামচ)
উপাদানগুলো মিশিয়ে স্কাল্পে ম্যাসাজ করবেন। সপ্তাহে মিনিমাম ৩ বার ব্যবহার করবেন। মিনিমাম ২ ঘণ্টা চুলে রাখবেন। সবচেয়ে ভালো হয় সারারাত রেখে দিয়ে সকালে শ্যাম্পু করতে পারলে।
- কী কী ভুল হতে পারে:
অনেককেই বলতে শোনা যায়, এতদিন ধরে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারের পরও কোন লাভ হয় না অথবা, ক্যাস্টর আর নারিকেল তেল দিয়ে চুল আরও বেশি পড়ছে দেখে নেওয়া যাক কারণগুলো:
১. পরিমাণে গণ্ডগোল
অনেকেই ১:১ পরিমানে নারিকেল আর ক্যাস্টর অয়েল ইউজ করেন না। মনে রাখতে হবে এটাই ক্যাস্টর অয়েলের পরিমান। এর থেকে বেশি পরিমানে ব্যবহার করা যাবে না।তাহলে শ্যাম্পু করে তেল দূর করতে পারবেন না। স্কাল্প আর চুল অয়েলি হলে ক্যাস্টর অয়েলের পরিমান এর থেকে কমিয়ে দেবেন। অয়েলি হেয়ারে নারিকেল তেল বেশি রাখলে অতিরিক্ত ক্যাস্টর অয়েল চুলের গোড়ায় জমে থেকে চুল পড়ার পরিমান বাড়ার চান্স থাকে না।
২. বেশিক্ষণ রেখে দেয়া
অনেকেই তেল মেখে ২-৩ দিন চুলে রেখে দেন। মনে রাখতে হবে বেশিদিন রাখলেই বেশি ভালো রেজাল্ট পাবেন না। অনেককে আমি দেখেছি ৪ দিন ধরে নারিকেল তেল ক্যাস্টর অয়েল মিক্স করে মাথায় দিয়ে রেখে দিয়েছেন। তারপরে শ্যাম্পু করে দেখছেন গাদা গাদা চুল পড়ছে।
৩. চুলে তেল মাখা
এই মিশ্রণ মাথায় ব্যবহার করতে চাইলে শুধু স্কাল্পে ইউজ করবেন। চুলের বডিতে পিওর নারিকেল তেল দেবেন। ক্যাস্টর অয়েল দেবেন না। পুরো চুলে ক্যাস্টর অয়েল দিলে, সেই তেল দুর করতে পুরো শ্যাম্পু শেষ হয়ে যাবে কিন্তু চুলের তেল যাবে না।
৪. ক্যাস্টর অয়েলে চুল পড়া কমছে না
- ক্যাস্টর অয়েল নারিকেল তেল চুলের গোঁড়ায় ফাঙ্গাস আক্রমণ দূর করে, চুলের গোঁড়ায় রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়।
- কিন্তু এরপরও আপনার চুল পড়া কমছে না। তাহলে মাথার চুলগুলো হারিয়ে যাবার আগে দ্রুত ডাক্তারের সাথে সেবা নিন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন।
Login to ask a question