- Imported from Korea
- প্রকার ঃ সবজি
- অঙ্কুরোদ্গম হারঃ ৮০%
- বীজের আর্দ্রতা ঃ ৯৮%
- বীজের বিশুদ্ধতাঃ ৯৮%
- চাষ পদ্ধতিঃ খুবই সহজ
ওলকপি চাষের মৌসুম
এটা শীত মৌসুমের ফুল কপি বা বাধাকপি জাতীয় একটি সবজি।
ওলকপির জাত
সাধারনত দুই ধরনের ওলকপি দেখা যায়। সবুজ ও বেগুনি। বিভিন্ন কোম্পানি থেকেপাওয়া যায়। ভাদ্র থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত বীজ বপন করা হয়। তবে ছোট আকারে বাড়ির জন্য চাষাবাদ করলে নার্সারী থেকে দেশি চারা নিয়ে রোপন করা যায়। এতে পরিশ্রম কম হবে।
জমি তৈরী ও সার প্রয়োগ
সাধারণত এটেল বা এটেল-দোআশ মাটিতে এর ফলন ভালো হয়। এছাড়াও দোআশ মাটিতেও এর চাষাবাদ করা হয়। কয়েকটি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরী করতে হবে। শতক প্রতি ১ কেজী ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম টিএসপি, ৫০০ গ্রাম পটাশ, ৭০০ গ্রাম জিপসাম এবং জিংক ও বোরন সার সামান্য পরিমান দেয়া যায়। গোবর আর টিএসপি সার চাষের সময় দিতে হবে। অর্ধেক পটাশ সার চাষের সময় আর বাকিগুলো চারা রোপনের ১৫-২০ দিন পর পর ২ কিস্তিতে দিতে হবে।
চারা রোপন পদ্ধতি
৫-৬ টি পাতা হলে চারা রোপনের উপযুক্ত হবে। চারা রোপনের সময় সারি থেকে সারির দুরত্ব ১২ ইঞ্চি বা ১ ফুট আর চারা থেকে চারা ৯ ইঞ্চি দুরত্বে লাগাতে হবে।
ওলকপির পরিচর্যা
নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার ও সার প্রয়োগ করতে হবে। এ ফসলে বেশি পানির প্রয়োজন হয়, তাই নিয়মিত সেচ দিতে হবে। পাখি বসার জন্য ডাল পুতে দেয়া যেতে পারে। এতে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কম হবে।
পোকা মাকড়
ওলকপি চাষে তেমন পোকা-মাকড় দেখা যায় না, তবে লেদা পোকা, ঘোড়া পোকা ও জাব পোকা এবং করাত মাছি বেশি দেখা যায়। এর জন্যকরেদিয়ে স্প্রে করলে সব পোকা মারা পড়বে।
ওলকপিররোগ বালাই
ওল কপির পাতায় দাগ রোগ, চারা ধ্বসা, ক্লাবচরূট, মোজাইক ভাইরাস, পাতার আগা পোড়া ইত্যাদি রোগ হতে পারে। সময়মতো পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ, নিয়মিত সেচ ও কীটনাষক, ছত্রাকনাষক স্প্রে এবং সঠিক পরিচর্যা এসকল রোগ থেকে দুরে রাখবে।
ফলন সংগ্রহ
স্বল্প পরিশ্রম ও কম খরচে এর ভালো ফলন পাওয়া যায়। ৪০-৫০ দিন পর থেকেই কচি অবস্থায় ফলন সংগ্রহ করতে হবে। বয়স বেশি হয়ে গেলে আশ হয়ে যাবে এবং বাজার মূল্য কমে যাবে।
- Imported from Korea
- প্রকার ঃ সবজি
- অঙ্কুরোদ্গম হারঃ ৮০%
- বীজের আর্দ্রতা ঃ ৯৮%
- বীজের বিশুদ্ধতাঃ ৯৮%
- চাষ পদ্ধতিঃ খুবই সহজ
ওলকপি চাষের মৌসুম
এটা শীত মৌসুমের ফুল কপি বা বাধাকপি জাতীয় একটি সবজি।
ওলকপির জাত
সাধারনত দুই ধরনের ওলকপি দেখা যায়। সবুজ ও বেগুনি। বিভিন্ন কোম্পানি থেকেপাওয়া যায়। ভাদ্র থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত বীজ বপন করা হয়। তবে ছোট আকারে বাড়ির জন্য চাষাবাদ করলে নার্সারী থেকে দেশি চারা নিয়ে রোপন করা যায়। এতে পরিশ্রম কম হবে।
জমি তৈরী ও সার প্রয়োগ
সাধারণত এটেল বা এটেল-দোআশ মাটিতে এর ফলন ভালো হয়। এছাড়াও দোআশ মাটিতেও এর চাষাবাদ করা হয়। কয়েকটি চাষ ও মই দিয়ে জমি তৈরী করতে হবে। শতক প্রতি ১ কেজী ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম টিএসপি, ৫০০ গ্রাম পটাশ, ৭০০ গ্রাম জিপসাম এবং জিংক ও বোরন সার সামান্য পরিমান দেয়া যায়। গোবর আর টিএসপি সার চাষের সময় দিতে হবে। অর্ধেক পটাশ সার চাষের সময় আর বাকিগুলো চারা রোপনের ১৫-২০ দিন পর পর ২ কিস্তিতে দিতে হবে।
চারা রোপন পদ্ধতি
৫-৬ টি পাতা হলে চারা রোপনের উপযুক্ত হবে। চারা রোপনের সময় সারি থেকে সারির দুরত্ব ১২ ইঞ্চি বা ১ ফুট আর চারা থেকে চারা ৯ ইঞ্চি দুরত্বে লাগাতে হবে।
ওলকপির পরিচর্যা
নিয়মিত আগাছা পরিষ্কার ও সার প্রয়োগ করতে হবে। এ ফসলে বেশি পানির প্রয়োজন হয়, তাই নিয়মিত সেচ দিতে হবে। পাখি বসার জন্য ডাল পুতে দেয়া যেতে পারে। এতে পোকা-মাকড়ের উপদ্রব কম হবে।
পোকা মাকড়
ওলকপি চাষে তেমন পোকা-মাকড় দেখা যায় না, তবে লেদা পোকা, ঘোড়া পোকা ও জাব পোকা এবং করাত মাছি বেশি দেখা যায়। এর জন্যকরেদিয়ে স্প্রে করলে সব পোকা মারা পড়বে।
ওলকপিররোগ বালাই
ওল কপির পাতায় দাগ রোগ, চারা ধ্বসা, ক্লাবচরূট, মোজাইক ভাইরাস, পাতার আগা পোড়া ইত্যাদি রোগ হতে পারে। সময়মতো পরিষ্কার ও পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ, নিয়মিত সেচ ও কীটনাষক, ছত্রাকনাষক স্প্রে এবং সঠিক পরিচর্যা এসকল রোগ থেকে দুরে রাখবে।
ফলন সংগ্রহ
স্বল্প পরিশ্রম ও কম খরচে এর ভালো ফলন পাওয়া যায়। ৪০-৫০ দিন পর থেকেই কচি অবস্থায় ফলন সংগ্রহ করতে হবে। বয়স বেশি হয়ে গেলে আশ হয়ে যাবে এবং বাজার মূল্য কমে যাবে।
Login to ask a question