অনেকেই খাবারে মসলা হিসেবে কারিপাতা ব্যবহার করেন। নিম পাতার মতো দেখতে এ পাতা মিষ্টি নিম কিংবা বারসুঙ্গা নামেও
পরিচিত। এই পাতা ভারতীয় উপমহাদেশে অনেক ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা হয়। ঝোল জাতীয় রান্নায় ব্যবহার করা হয় বলে
সাধারণত একে ‘কারি পাতা’ বলা হয়। তবে রান্নায় স্বাদ বাড়াতে এই পাতার ব্যবহার করা হলেও এর বেশ উপকারিতা রয়েছে।
চুলের যত্নে কারি পাতা-
কারি পাতা চুলের রঙের উন্নতিতে সাহায্য করে। চুলের তেলে কয়েকটি কারি পাতা যোগ করুন তারপর তেল
ফুটিয়ে নিন এবং মাথার খুলির উপর এটি লাগান। এটি চুলের স্বাস্থ্যের উন্নতি করবে।কারি পাতা চুলের অকালপক্বতা
প্রতিরোধ করে। কারি পাতা চুলের যত্নের জন্য ভাল কাজ করে। খাবার থেকে ফেলে না দিয়ে পাতাগুলি নিয়ে নিন।
নয়তো সকালে প্রাতরাশে ক্যারি পাতার পাউডার খেতে পারেন। এছাড়া আমলকি, শিকাকাই এবং মেথি ও কারি
পাতা চুলের জন্য বেশ উপকারি। কচি-কারি পাতার পেস্ট আপনার চুলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্য
ভাল কাজ করে। মেথি বা মেথি বীজ চুলের উপকারী ।এটি আপনার টক দই আর কারিপাতা
চুলের যত্নে ব্যবহৃত উপাদানের মধ্যে আমারবাজার্স কারিপাতা আর টক দইয়ের ব্যবহার সবচেয়ে অন্যতম। কারি পাতা এবং দইয়ের
একটি পেস্ট তৈরি করতে পারেন (আপনি যদি চান তবে কয়েকটি নীম পাতা যোগ করুন), তেলের কয়েকটি ড্রপ
এবং এটি একটি মাস্ক হিসাবে প্রয়োগ করুন। এই মিশ্রণ ১ ঘণ্টা বা তারও বেশি সময় মাথায় লাগিয়ে রেখে তারপর
হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আমলা, শিকাকাই, ভৃঙ্গরাজ এবং মেথির মতো উপাদান এখন ভারতের
নানা হারবাল ওষুধ ও পণ্যগুলিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাদের বিশুদ্ধতার কারণে এগুলো ব্যবহার
করে অনেকেই উপকৃত হয়।
Login to ask a question