স্বাস্থ্যরক্ষায় তিলের তেল
১) অকালে চুল পেকে যাওয়া রোধ করে, নিয়মিত মাথার স্ক্যাল্প ম্যাসাজ করতে হবে।
২) আথ্রাইটিস পেইন-এর ক্ষেত্রে এই তেল খাবার তেল হিসেবে ব্যবহার এবং মালিশ দুটোই করলে উপকার পাবেন।
৩) রান্নায় এই তেলের ব্যবহার ব্লাড প্রেশার কমায়।
৪) ডায়েটে এই তেলের ব্যবহার স্ট্রেস ও ডিপ্রেশন কমায়।
৫) রান্নায় তিলের তেলের ব্যবহার ইনসুলিন এবং গ্লুকোজ লেভেল ঠিক রাখে বলে ডায়াবেটিস-এর রোগীরা এটাকে নিয়মিত খাবারের তেল হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
- তিলের তৈল
- তিলের তৈলে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, দস্তা, আয়রন, ফসফরাস, প্রোটিন এবং ভিটামিন বি এবং বিএক্সএনইউএমএক্স
- তিল তেল ডায়াবেটিসের প্রভাব হ্রাস করে
- হাড়ের গুণমান উন্নত করে
- শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে ডিএনএ ক্ষতি রোধ করে
- তিলের বীজ তেল দাঁতকে রক্ষা করে
Customer Questions and answers :
Login to ask a question