- প্রাকৃতিকভাবে অ্যালো ভেরাতে রয়েছে ৭৫টি নিউট্রিয়েন্টস, ২০টি মিনারেলস, ১২ রকমের ভিটামিন এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদান, অ্যালোভেরাতে থাকা প্রাকৃতিক উপাদান সমূহ ত্বকের যত্নে অসাধারণ কাজ করে। বিশেষ করে শীতের সময় ত্বকে এবং চুলে নানা সমস্যা দেখা দেয়। এসব থেকে স্কিনকে এবং চুলকে প্রোটেক্ট করতে অ্যালোভেরা জেল সবচেয়ে সেরা। আজ অ্যালোভেরা জেল দিয়ে ত্বক এবং চুলের যত্ন নেবেন কি ভাবে তা স্টেপ বাই স্টেপ জানানো হলো।
- আলোভেরা জেল ত্বকের এই ৬ টি সমস্যা থেকে আপনাকে দূরে রাখবে –
- ১.ত্বক রুক্ষ হতে দেয় না-
শীত কালে প্রায়ই এই সমস্যা অনেককেই নাজেহাল করে| সেক্ষেত্রে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে তা আপনার ত্বককে ভেতর থেকে ময়েশ্চারাইজ করে|
২. Moisturizing এর জন্য aloe vera gel:
- মেয়েরা যারা রেগুলা mineral মেকাপ করে তাদের জন্য aloe vera gel টি moisturizer হিসেবে ব্যাপক ব্যবহার করা হয়। এটি ফেইস এর জন্য বেস্ট কেননা মেকাপ করার পূর্বে এলোভেরা জেল ব্যবহার করলে এটি স্কিন কে Dry হওয়া থেকে রক্ষা করে
- ৩.সান বার্ন থেকে রক্ষা-
সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে স্কিন অ্যালার্জি, ত্বক পুড়ে যাওয়া, ইনফেকশন ইত্যাদি সমস্যা সকলের ক্ষেত্রেই খুব কমন| অ্যালোভেরা জেলের প্রাকৃতিক উপাদান সান বার্নের ফলে হওয়া যেকোনো সমস্যা থেকে আমাদের ত্বককে বাঁচিয়ে রাখার ক্ষমতা রাখে।
- ৪.ত্বকের দাগ ছোপ ও ব্রণ থেকে রক্ষা-
পেটের সমস্যা বা বাইরের ধুলোবালি, রোদ ইত্যাদি কারণে প্রায়ই এই ধরণের সমস্যার মুখে আমাদের পড়তে হয়| অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা শুরু করুন| এটি একেবারে প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরী এবং কাজ করে খুব তাড়াতাড়ি।
- ৫. চোখের নিচের কালো দাগ দূর করে-
সংসারের চাপ, কাজ-কর্মের চাপ, অনিদ্রা ইত্যাদি নানা কারণে আমাদের চোখের নিচে কালো দাগ বা ডার্ক সার্কেল হতে দেখা যায়| এসব চিন্তা বা চাপকে তো একেবারে দূর করা সম্ভব নয়। কিন্তু চোখের নিচের ডার্ক সার্কেলের সমস্যা থেকে কিন্তু রেহাই পেতে পারেন অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করে।
- ৬.বলিরেখা থেকে মুক্তি-
বলিরেখা বা ফাইন লাইন মানে অকালেই মুখে বার্ধক্যের ছাপ| এই ধরনের সমস্যা যাতে আপনাকে কাবু করতে না উপায় অ্যালোভেরা জেল।
- ব্যবহারঃ
- “অ্যালোভেরা জেল যেকোনো অরগানিক ফেছমাস্ক এর সাথে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া শুধুমাত্র অ্যালোভেরা জেল টা ও ত্বকের ব্যবহার করতে পারেন”।
চুলের যত্নে এলোভেরা:
- ১. এই চুল পড়া রোধে এলোভেরা জেল, অলিভ অয়েল ও ক্যাস্টর অয়েল একসঙ্গে হালকা গরম করে নিন। ঠাণ্ডা হয়ে গেলে তাতে ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ভেঙে মিশিয়ে চুলে লাগান।
- শীতের দিনগুলোতে সবচেয়ে বেশি উপকারে আসে হট অয়েলের ম্যাসাজ।
- ২. নারিকেল তেল, অলিভ অয়েল, বাদাম তেল বা যে কোনো চুলে লাগানোর তেল হালকা গরম করে নিয়ে চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করে লাগান। ৩০ থেকে ৪০ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন।
- সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিনের বেশি শ্যাম্পু করা ঠিক নয়। ঘন ঘন শ্যাম্পু ব্যবহারে চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে। এছাড়া কেমিক্যাল ছাড়া মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করাটাই চুলের জন্য ভালো।
- চুলে সূর্যের আলো লাগান। কেননা সূর্য থেকে প্রাপ্ত ভিটামিন ডি চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একইসঙ্গে এটি মাথায় রক্ত চলাচলেও উন্নতি ঘটায়। এছাড়া চুলের এই যত্নগুলোর পাশাপাশি খান সুষম খাদ্য ও পচুর পরিমাণে পানি।
Login to ask a question